প্রকাশ: ... | ... | ...

দিনে বন্ধ, রাতে চলছে ড্রেজার; কার্যকর অভিযানের দাবি টঙ্গীবাড়ীবাসীর


সংযুক্ত ছবি

দিনে বন্ধ, রাতে চলছে ড্রেজার; কার্যকর অভিযানের দাবি টঙ্গীবাড়ীবাসীর | ছবি: বাংলাদেশ যুগান্তর

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনের অভিযান চললেও রাতের বেলায় আবারও ড্রেজার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রশাসনের অভিযানের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহল। স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্য: দিনের বেলায় বালুবোঝাই বাল্কহেড বিভিন্ন স্থানে এনে রাখা হয়। পরে রাতের আঁধারে ড্রেজারের মাধ্যমে সেই বালু ভরাটের কাজ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে বলে জানানো হলেও বাস্তবে রাতের বেলায় একাধিক স্থানে ড্রেজার চলতে দেখা যায় বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানে কোথাও কোথাও ড্রেজারের কয়েকটি পাইপ বিচ্ছিন্ন করা হলেও কিছু সময় পর আবার সেগুলো জোড়া দিয়ে কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। ফলে অভিযানের পরও অবৈধ ড্রেজার ব্যবসা বন্ধ হচ্ছে না বলে দাবি স্থানীয়দের। সচেতন মহলের দাবি, কেবল পাইপ বিচ্ছিন্ন করে নয়, জব্দযোগ্য ড্রেজার, পাইপ ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দ করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে অবৈধ ড্রেজার কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হবে। তাদের মতে, বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত অভিযানের পরিবর্তে ধারাবাহিক ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। সোমবার রাতে প্রশাসনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র সচেতন নাগরিকদের জানায়, সংশ্লিষ্ট স্থানে ড্রেজার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে একই সময়ে ওই এলাকায় ড্রেজার চলার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের উচিত ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিত করা এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এসিল্যান্ড অফিসের বাহিরে এসে দাঁড়ালেই যেখানে ড্রেজারের শব্দ পাওয়া যায় সেখানে কিভাবে ড্রেজার চলতে পারে? সামনে চলমান ড্রেজার রেখে দূরে গিয়ে ড্রেজার খুঁজে এগুলো কি অভিযান নাকি হাস্যকর পরিস্থিতি? স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, এসিল্যান্ড কার্যালয়ের অদূরেই ড্রেজারের শব্দ স্পষ্টভাবে শোনা যায়। তাদের প্রশ্ন, এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে দিনের পর দিন ড্রেজার পরিচালিত হয়? তাদের দাবি, সামনেই ড্রেজার চলমান থাকা সত্ত্বেও দূরের এলাকায় গিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হলে সেটি কার্যকর অভিযানের বদলে জনমনে প্রশ্ন ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।