প্রকাশ: ... | ... | ...

বাংলাদেশি পণ্যে ১০% শুল্ক, চীন-ভিয়েতনামে ১২.৫%


সংযুক্ত ছবি

বাংলাদেশি পণ্যে ১০% শুল্ক, চীন-ভিয়েতনামে ১২.৫% | ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় বা ইউএসটিআর এই নতুন শুল্কনীতি ঘোষণা করেছে। নতুন ঘোষণায় বাংলাদেশের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ দেশভিত্তিক শুল্ক বহাল রাখা হয়েছে। একই হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও মেক্সিকোসহ আরও কয়েকটি দেশের ওপর। তবে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী চীন ও ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। রপ্তানিকারক ও বাণিজ্য বিশ্লেষকদের মতে, এই আড়াই শতাংশ শুল্ক ব্যবধান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। শীর্ষে রয়েছে ভিয়েতনাম, আর তৃতীয় অবস্থানে চীন। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের গড় প্রচলিত শুল্ক প্রায় ১৬ শতাংশ। এর সঙ্গে দেশভিত্তিক ১০ শতাংশ যোগ হয়ে মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ২৬ শতাংশ। নতুন সিদ্ধান্তে এই মোট শুল্কের কোনো পরিবর্তন হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, নতুন শুল্কনীতির ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা নেই। বরং প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় কম শুল্ক বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। একই মত দিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের সাবেক সদস্য ড. মোস্তফা আবিদ খান। তিনি বলেন, শুল্কের এই ব্যবধান বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি করলেও অবকাঠামো, কাঁচামাল সংগ্রহ এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় ভিয়েতনাম এখনো এগিয়ে রয়েছে। এদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, এটি নতুন কোনো অতিরিক্ত শুল্ক নয়, বরং আগের শুল্ক কাঠামোরই পুনর্বিন্যাস। তার মতে, নতুন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই।