মক্কা ও মদিনা নিয়ে ওআইসির কঠোর নিন্দা | ছবি: সংগৃহীত
ইসলামের পবিত্র নগরী মক্কা অভিমুখে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করেছে সৌদি আরব। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসি। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে মক্কার কাছে একটি ড্রোন শনাক্ত করে সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। পরে এর ধ্বংসাবশেষ মক্কার দক্ষিণে পড়ে। সৌদি জোটের দাবি, মক্কাকে লক্ষ্য করে এটি হুতিদের দ্বিতীয় হামলার চেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালের জুলাইয়ে মক্কার দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার অভিযোগও হুতিদের বিরুদ্ধে আনা হয়েছিল। তুর্কি আল-মালিকি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও হজযাত্রীদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য লাল রেখা। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সৌদি জোটের অভিযোগকে ‘পুরোনো মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেন। এদিকে মক্কা ও মদিনা অঞ্চলে হামলার অভিযোগে হুতিদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি। সংস্থাটি বলেছে, পবিত্র স্থান ও মসজিদ লক্ষ্য করে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেসামরিক মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা লঙ্ঘন করে। পবিত্র স্থান ও বেসামরিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে হামলা ইসলামি মূল্যবোধ এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নীতির পরিপন্থি বলেও উল্লেখ করেছে ওআইসি। সৌদি আরবের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং পবিত্র স্থানগুলোর মর্যাদা বজায় রাখতে রিয়াদ যেসব পদক্ষেপ নেবে, তাতে সংস্থাটির সমর্থনের কথাও জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দাবি করেছিল, হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় খামিস মুশাইত, আবহা ও তাইফে ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। হামলায় কয়েকটি বাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।