প্রকাশ: ... | ... | ...

নিয়োগে মেধার বদলে কোটা প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা জামায়াতের


সংযুক্ত ছবি

নিয়োগে মেধার বদলে কোটা প্রতিষ্ঠার আশঙ্কা জামায়াতের | ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরির ১১ থেকে ২০ গ্রেডের নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো এবং লিখিত পরীক্ষার পাস নম্বর কমানোর উদ্যোগের সমালোচনা করেছে জামায়াতে ইসলামী। মঙ্গলবার সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি তুলে ধরেন পটুয়াখালী-২ আসনের জামায়াত দলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তবে তাঁর উত্থাপিত পয়েন্ট অব অর্ডার গ্রহণ করেননি স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শফিকুল ইসলাম মাসুদের দাবি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান নম্বর রাখার মাধ্যমে দলীয়করণ ও স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে মেধার পরিবর্তে কোটাভিত্তিক নিয়োগের দিকে দেশ ধাবিত হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বর্তমানে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের নিয়োগ হয় মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অধীন প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়োগ বিধি অনুযায়ী। প্রস্তাবিত পরিবর্তনে বিভিন্ন গ্রেডে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরের অনুপাত পরিবর্তন করা হচ্ছে। সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ১১ থেকে ১২তম গ্রেডে বর্তমানে লিখিত পরীক্ষায় ৯০ শতাংশ এবং ভাইভায় ১০ শতাংশ নম্বর রয়েছে। এটি পরিবর্তন করে প্রায় ৬৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ লিখিত ও ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তাব করা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডে ৯০-১০ শতাংশের পরিবর্তে ৬০-৪০ শতাংশ এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডে বিদ্যমান বিভাজন পরিবর্তন করে ৫০-৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ধরনের পরিবর্তন প্রশাসনে দুর্নীতি, অনিয়ম ও দলীয়করণের সুযোগ বাড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদের চলমান বিষয়ের ওপর মন্তব্য, ভুল কিংবা সংসদের নিয়ম ভঙ্গের মতো বিষয় থাকলে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেওয়া যায়। কিন্তু বর্তমানে সংসদে নিয়োগ বিধি নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। তাই এটিকে পয়েন্ট অব অর্ডার হিসেবে গ্রহণ করা হয়নি।