প্রকাশ: ... | ... | ...

৪ নভেম্বর থেকে দেশজুড়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ


সংযুক্ত ছবি

৪ নভেম্বর থেকে দেশজুড়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ | ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে গভীর নলকূপ খননের সময় ভূগর্ভ থেকে বের হওয়া গ্যাসে আগুন লাগার ঘটনায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে পেট্রোবাংলা ও বাপেক্স। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত গ্যাস উন্মুক্তভাবে বের হতে দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, আনুমানিক ১৫ দিনের মধ্যে আগুনের প্রবাহ কমে আসতে পারে। গত ২৭ অক্টোবর কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের ছোট ইনানী সেতু-সংলগ্ন এলাকায় গভীর নলকূপ খননের সময় এ ঘটনা ঘটে। প্রায় এক হাজার ফুট গভীরতা পর্যন্ত খননের পর ভূগর্ভ থেকে গ্যাস নির্গত হয়ে আগুন ধরে যায়। ঘটনার পরপরই বাপেক্সের দুইজন ভূতত্ত্ববিদকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। তারা সেখানে অবস্থান করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। পেট্রোবাংলার জনসংযোগ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগুন ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত গ্যাস উন্মুক্তভাবে নির্গমণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্যাসের প্রবাহ না কমলে বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে অগ্নিনির্বাপণ ও গ্যাসের প্রবাহ বন্ধের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এদিকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ঘটনাস্থলের ১০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। পেট্রোবাংলা, বাপেক্স ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। অন্যদিকে, ওই এলাকায় গ্যাসের সম্ভাব্য মজুদ নিরূপণে ভূতাত্ত্বিক জরিপ ও দ্বিমাত্রিক সাইসমিক জরিপসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম নেওয়া হচ্ছে। এদিকে দেশের গ্যাস গ্রাহকদের জন্য রয়েছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খবর। মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে আগামী ৪ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ কম থাকবে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত সামিট এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্পচাপ দেখা দিতে পারে। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছিল। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।