বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ | ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুরে হামলা ও ভাঙচুরের শিকার বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান রাড্ডা এমসিএইচ পরিদর্শন করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর রাড্ডা এমসিএইচের কার্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে যান তিনি। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আসিফ মাহমুদ অভিযোগ করেন ভাঙচুরের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তা ঠেকাতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। প্রায় ৫০ বছর ধরে প্রসূতি ও শিশু স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে আসা প্রতিষ্ঠানটির চারটি ভবনসহ পুরো স্থাপনা বৃহস্পতিবার ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে সেখানে সমমনা দোকানদার সমিতি লিমিটেডের সাইনবোর্ড টাঙানো হয়। রোববার পরিদর্শনের সময় এনসিপির কর্মীরা সাইনবোর্ডটি সরিয়ে দেন। পাশাপাশি দোকানদার সমিতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকটি নিদর্শনও সরিয়ে ফেলা হয়। আরও পড়ুন, জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭৮ জনের ২৪৯ জনকে ছেড়ে দিল পুলিশ নিয়োগের দাবিতে দুই শতাধিক প্রার্থীর শাহবাগে অবস্থান সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসিফ মাহমুদ বলেন রাড্ডার ভেতর থেকে ওষুধ ইনজেকশন ও চিকিৎসা সরঞ্জাম লুট করা হয়েছে। এমনকি দরিদ্র শিশুদের জন্য রাখা টিকাও লুট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ভাঙচুরের সময় পুলিশের উপস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন এক্সকেভেটর ও ট্রাক আনার পরও পুলিশ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। তার দাবি ভাঙচুর শুরু হওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে চলে যায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের মবতন্ত্রের কবর রচনা সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রসঙ্গও টানেন এনসিপির এই মুখপাত্র। তিনি প্রশ্ন তোলেন মবতন্ত্র বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরও কীভাবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ভাঙচুরের শিকার হলো। আসিফ মাহমুদের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।