ইবির হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অপসারণসহ শিবিরের আট দাবি | ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো থেকে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ এবং মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দসহ আট দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসের বটতলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এসব দাবি তুলে ধরে সংগঠনটি। সভায় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি হলের শাখা সভাপতি সহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, আবাসিক হল কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার কিংবা দলীয় লোকজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে আশ্রয় দেওয়ার জায়গা হতে পারে না। শিক্ষার্থীদের সিট বরাদ্দ মেধা বৈধতা জ্যেষ্ঠতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালার ভিত্তিতে হওয়া উচিত। শিবিরের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল থেকে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ এবং রাজনৈতিক পরিচয় দলীয় সুপারিশ কিংবা প্রশাসনিক প্রভাবের মাধ্যমে সিট বরাদ্দ বন্ধ করা। একই সঙ্গে মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নিয়মিত সিট বরাদ্দ দেওয়া এবং প্রতিটি হলের সিট বণ্টনের তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। সিট বাণিজ্যের সুযোগ বন্ধ করতেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ও হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাজনৈতিক অপচর্চামুক্ত শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় কার্যকর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। হলগুলোর ডাইনিংয়ে সুষম খাবার ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিও রয়েছে আট দফার মধ্যে। শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, তারা সংঘাত চান না বরং ন্যায়সংগত সমাধান চান। সিট দখলদারত্ব বা দলীয় প্রভাব নয় মেধা ও বৈধতার ভিত্তিতে আবাসিক ব্যবস্থা চান তারা। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন দাবিগুলো বাস্তবায়নে দৃশ্যমান ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।