প্রকাশ: ... | ... | ...

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কবি ও অনুবাদক অ্যান কার্সন


সংযুক্ত ছবি

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কবি ও অনুবাদক অ্যান কার্সন | ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কানাডীয় লেখিকা অ্যান কার্সন। সাহিত্যে তার সাহসী ও নতুন ধরনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম থেকে সাহিত্যে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। ১৯৫০ সালে কানাডার টরন্টোতে জন্ম নেওয়া অ্যান কার্সন কবিতা লেখার পাশাপাশি অনুবাদ ও শিক্ষকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। তার সাহিত্যকর্মে ভাষা ও শব্দের ব্যবহার বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। শব্দের উৎস ও ব্যুৎপত্তি নিয়ে কাজ করে নতুন অর্থ ও ভাবনা তৈরির প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। পুরো সাহিত্যজীবনেই প্রচলিত কাঠামোর বাইরে গিয়ে লেখার বিভিন্ন ধরন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন কার্সন। ২০১৬ সালে প্রকাশিত ‘ফ্লোট’ বইয়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা ২২টি ছোট রচনা রয়েছে। বইটির লেখাগুলো যেকোনো ক্রমে পড়া যায়। দৃশ্যশিল্পী নৃত্য পরিচালক অপেরা ও থিয়েটার পরিচালকদের সঙ্গেও যৌথভাবে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৯০-এর দশক থেকেই আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও শিল্পাঙ্গনে তার কাজ বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে। প্রাচীন গ্রিক সাহিত্য থেকে তার অনুবাদও ব্যাপকভাবে আলোচিত। গ্রিক কবি স্যাফোর কবিতার বিভিন্ন খণ্ডাংশ নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি সফোক্লিসের ‘ইলেক্ট্রা’ ও ‘অ্যান্টিগোন’ এবং ইউরিপিডিসের ‘বাক্কাই’ অনুবাদ করেছেন তিনি। কার্সনের উল্লেখযোগ্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত ‘গ্লাস আয়রনি অ্যান্ড গড’ এবং ১৯৯৮ সালের ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড : আ নভেল ইন ভার্স’। পরের বইটিতে প্রাচীন গ্রিক সাহিত্যকে আধুনিক জীবন ও ভাষার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন ধরনের সাহিত্যিক রূপ তৈরি করেছেন তিনি। প্রাচীন গ্রিক কবি স্টেসিখোরোসের গেরিয়নকে নিয়ে লেখা একটি কবিতার খণ্ডাংশ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘অটোবায়োগ্রাফি অব রেড’ রচনা করেন কার্সন। বইটির কেন্দ্রীয় চরিত্র গেরিয়ন একটি ডানাওয়ালা লাল দানব। সাহিত্যিক কাঠামো নিয়ে নিরন্তর পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং কবিতা অনুবাদে স্বতন্ত্র কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এবার অ্যান কার্সনের হাতে উঠল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার।