প্রকাশ: ... | ... | ...

সব সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী


সংযুক্ত ছবি

সব সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী | ছবি: সংগৃহীত

ধর্ম বর্ণ শ্রেণি-পেশা ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের কল্যাণে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ বা পরিচয় কোনো কিছুই যেন মানুষের অধিকার ও সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়। বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তারেক রহমান বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় সরকার যেখানে প্রত্যেক নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করবেন। সরকারের পক্ষ থেকে সব সম্প্রদায়ের মানুষের কল্যাণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি ছুটি বাড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তারা বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উৎসবের আনন্দ আরও বেড়েছে। এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। সভায় হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন সমস্যা প্রয়োজন ও দাবি-দাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং যৌক্তিক দাবি ও সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব তার সর্বোচ্চটুকু করার চেষ্টা করা হবে। এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে এবং কঠিন চীবর দান উপলক্ষে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে দেশের সব নাগরিকের শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। পরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব কঠিন চীবর দানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা জানান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দুর্গাপূজার জন্য ৪ কোটি টাকা অনুদান চাইলেও বিশেষ বিবেচনায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একইভাবে বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চেয়েছিল। তাদের জন্যও বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুদানের অর্থ হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা সরাসরি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে এ অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।