প্রকাশ: ... | ... | ...

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, আগস্টেই মন্ত্রিসভায় সীমিত রদবদলের আভাস


সংযুক্ত ছবি

১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, আগস্টেই মন্ত্রিসভায় সীমিত রদবদলের আভাস | ছবি: বাংলাদেশ যুগান্তর

ছয় মাসের অগ্নি পরীক্ষা শেষে এবার মন্ত্রিসভায় মূল্যায়নের পালা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেঁধে দেওয়া ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মন্ত্রীদের পারফরম্যান্সের হিসাব-নিকাশ চলছে। এরই মধ্যে মন্ত্রণালয়গুলোর ছয় মাসের কাজের প্রতিবেদনও পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। সব মিলিয়ে চলতি আগস্টেই মন্ত্রিসভায় সীমিত পরিসরে রদবদলের আলোচনা জোরালো হয়েছে। বদলাতে পারে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব, যুক্ত হতে পারেন নতুন দুয়েকজন মুখ। তবে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা আপাতত কম। সরকার ও বিএনপি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ার পর মন্ত্রিসভায় রদবদলের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে মির্জা ফখরুলের স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। যিনি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে। যিনি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন। এ ছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে আসতে পারে নতুন মুখ। রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী সালাহউদ্দিন আহমদ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি কক্সবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য। এর আগে তিনি যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সংসদ সদস্য ছিলেন। আর শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য। রাজনীতি ও সংসদে বেশ পরিচিত মুখ তিনি। গোপালগঞ্জ থেকে একজন কে টেকনো কেট কোটার মন্ত্রী নাম সুনাযাচ্ছে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের নেতা এন এইচ খান মনজু নামও তিনি পুরো জেলায় সকল মানুষের কাছে খুব জন প্রিয় নেতা ও সমাজ সেবক হিসাবে কাজ করে আসছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন উপসচিব সময়ের আলোকে বলেন, মন্ত্রিপরিষদের রদবদলের বিষয়টি একমাত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্যারই ভালো বলতে পারেন। তিনি যখন যাকে এ বিষয়ে অ্যাসাইন করা হবে তখনই তিনিই ফাইলটি ওঠাবেন। তবে মন্ত্রিসভায় রদবদল নিয়ে আলোচনা আছে। শিগগিরই প্রজ্ঞাপন হতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য সময়ের আলোকে জানান, মন্ত্রিপরিষদে রদবদলের একমাত্র এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর। তিনি যখন চাইবেন তখনই বাস্তবায়িত হবে। নিশ্চয়ই তিনি সব মূল্যায়ন করছেন। তিনি শুরুতেই ১৮০ দিনের কথা বলেছিলেন; এই ১৮০ দিন তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কোন মন্ত্রী কেমন পারফরম্যান্স করেছে তার ওপর নির্ভর করবে রদবদল। মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা চলছে। তবে এই পর্যালোচনায় মন্ত্রিসভার পরিবর্তন বা বড় ধরনের দফতর পুনর্বণ্টনের সিদ্ধান্ত এখনই নেওয়া হচ্ছে না বলে জানান সরকারের এই নীতিনির্ধারক।