ওমরাহ পরিচালনায় বাংলাদেশি এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন বা অ্যাক্রিডিটেশন প্রক্রিয়ায় ছয়টি শর্ত আরোপ করেছে ঢাকায় অবস্থিত সৌদি আরবের দূতাবাস। সৌদি দূতাবাসের দেওয়া এসব শর্ত যথাযথভাবে পালনের জন্য হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের—হাব সভাপতি ও মহাসচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গত ১৮ আগস্টের একটি স্মারকের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি দূতাবাস এসব শর্ত দিয়েছে।
প্রথম শর্ত হিসেবে এজেন্সিগুলোকে বাংলাদেশ সরকারের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সত্যায়িত স্থানীয় লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, লাইসেন্স, পাসপোর্ট, আর্থিক বিবরণীসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে অফিসের প্রয়োজনীয় ফাইল প্রস্তুত করতে হবে। তৃতীয় শর্ত অনুযায়ী, সৌদি আরবে নিবন্ধিত ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোনো ওমরাহ কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করতে হবে। চতুর্থত, সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত মানসম্মত চুক্তি সম্পাদন করতে হবে। পঞ্চম শর্তে বলা হয়েছে, নির্ধারিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চুক্তির সত্যায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ ছাড়া ষষ্ঠ শর্ত হিসেবে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পরও এজেন্সিগুলো যেন প্রযোজ্য নীতিমালা ও নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
অর্থাৎ, শুধু নিবন্ধন করলেই হবে না—ওমরাহ পরিচালনার পুরো প্রক্রিয়ায় সৌদি ও বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে এজেন্সিগুলোকে। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি দূতাবাসের আরোপ করা এসব শর্ত যথাযথভাবে পালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। নতুন এই শর্তগুলোর ফলে বাংলাদেশ থেকে ওমরাহ যাত্রী পাঠানোর ক্ষেত্রে এজেন্সিগুলোর নিবন্ধন ও কার্যক্রম পরিচালনায় আরও সুনির্দিষ্ট কাঠামো তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।