তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। শনিবার বিকেলে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্প ও নদীভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের বিষয়ে কারিগরি কমিটি ইতোমধ্যে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এখন দ্রুততম সময়ে কীভাবে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে। তিনি বলেন, অন্তত পাইলট প্রকল্প হিসেবে হলেও চলতি বছরের শেষ দিকে তিস্তা মহাপরিকল্পনার দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে তিনি আশাবাদী।
পরিদর্শনকালে ১৯৬৭ সালে শুরু হওয়া বুড়িতিস্তা সেচ প্রকল্পের পুনর্খনন কাজের অগ্রগতি নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। প্রায় ১৩০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের কাজ আইনি জটিলতায় আটকে রয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক করে জটিলতা নিরসনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।
এ ছাড়া ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী এলাকায় নদীভাঙন রোধে দ্রুত জিও ব্যাগ ও টিউব ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারের অঙ্গীকার হলো—কোনো মানুষের বাড়ি, ঘর কিংবা এক ইঞ্চি জমিও যেন নদীগর্ভে বিলীন না হয়। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে উত্তরাঞ্চলের নদীভাঙন, বন্যা, সেচ ও কৃষি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।