শিরোনাম

প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানাতে নিউইয়র্কে হেলাল খানের নেতৃত্বে জাসাস ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীদের মাঝে আনন্দ উৎসবের আমেজ বইছে

নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হেলাল খানের নেতৃত্বে জাসাস ও বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল

মোঃ রেজাউল করিম-নিউইয়র্ক-USA মোঃ রেজাউল করিম-নিউইয়র্ক-USA
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হেলাল খানের নেতৃত্বে জাসাস বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল ছবি: বাংলাদেশ যুগান্তর
নিউইয়র্কে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে হেলাল খানের নেতৃত্বে জাসাস বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল ছবি: বাংলাদেশ যুগান্তর

বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক আগমনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপি ও জাসাস সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। এই উপলক্ষে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য আনন্দ ও স্বাগত মিছিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই মিছিলে অংশ নেন হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি।

এই কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন, তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ভূঁইয়া মিলটন।

 

আরো উপস্থিত ছিলেন  বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য,জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান।সাথে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র জাসাস এর আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ রহমান সায়েম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর শহীদ সরোয়ারদী,  সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হায়দার আলী,  যুগ্ন আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, যুগ্ন আহবায়ক  খালেদ আহমেদ খান, ফয়সাল আহমেদ সহ  অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ বিশ বছর পর যুক্তরাষ্ট্র সফরে আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে ৩৫ সদস্য সঙ্গেযুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওয়ানা হন তিনি। স্থানীয় সময় সোমবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে যাত্রা করেন তিনি। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তবে  স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল ৬ টার দিকে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী ও সফরসঙ্গীরা। তাদেরকে স্বাগত জানান বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী। এবার প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।

আরও পড়ুন, 

সরেজমিন দেখা গেছে, নিউইয়র্কের জেএফকে বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৮ এর চত্বরে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় তাদের হাতে রং বেরঙের পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় পতাকা এবং বিএনপির দলীয় পতাকায় ছেয়ে যায় চারপাশ। প্রবাসীরা করতালি ও উল্লাসের মাধ্যমে প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানান। মিছিলজুড়ে "স্বাগত হে তারেক রহমান", "নিউইয়র্কে তারেক রহমান, স্বাগতম স্বাগতম" সহ নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে প্রবাস।

আনন্দ মিছিলের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তাদের অন্যতম হলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন, গিয়াস আহমেদ, আব্দুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু, নিউ ইংল্যান্ড (বোস্টন) বিএনপির সভাপতি সভাপতি সৈয়দ বদরে আলম (সাইফুল), ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু, নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, বিএনপি নেতা আখতার হোসেন বাদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্র এর মোতাহার হোসেন, যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদ রহমান, এনামুল হক ভিকি ও বাদল মির্জাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।

বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের এই সফর বাংলাদেশি কমুনিটির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। দেশের গণতন্ত্র পুনর্প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে তার নেতৃত্ব ও দূরদর্শী চিন্তাভাবনা প্রবাসীদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তারা আরও উল্লেখ করেন, নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর সফল করতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মিছিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্টেট বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে বিপুল সংখ্যক নারী ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণ বিশেষ মাত্রা যোগ করে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে মিছিলটি শেষ হয়। উপস্থিত নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

বিষয়:

নিউইয়র্ক
এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL