শিরোনাম

নাটোরের বড়াইগ্রাম পৌরসভার দুর্নীতিবাজ সাব-অ্যাসিস্ট্যান্টের বিরুদ্ধে চোখ ধাঁধানো দুর্নীতির সন্ধান

অনিয়ম-দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
অনিয়ম-দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছবি: সংগৃহীত
অনিয়ম-দুর্নীতিতে কোটি কোটি টাকার সম্পদের পাহাড় গড়ার অভিযোগ ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ছবি: সংগৃহীত

 অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-পর্ব ১

নাটোরের বড়াইগ্রাম পৌরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জন, ফ্যাস্টিস আওয়ামী লীগ আমলে 

রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ শেষ করার অভিযোগ উঠেছে।এছাড়া রহনপুর পৌরসভায় কর্মরত থাকার সময় ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎসহ রাজনৈতিক প্রভাব কাজে খাটিয়ে পছন্দের ব্যক্তিদের বিভিন্ন কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও বিভিন্ন কাজে হস্তক্ষেপ করে পছন্দের ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

অনিয়ম আর দূনীতির মাধ্যমে গড়েছেন বিপুল অর্থের পাহাড়। নিজ জেলা নাটোর ও শশুর বাড়ি পাবনায় নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল বাড়ি।নামে-বেনামে সম্পদ জমিয়েছেন কোটি টাকার সম্পদ। স্ত্রী শাহানাজ পারভীন মালার নামেও রয়েছে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ। তিনি আগের সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাবশালী প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং অফিস সময়ে নিয়মিত 

উপস্থিত না থেকেও প্রভাব বিস্তার করতেন। তবে কখনো কখনো রাত ১১টা পর্যন্ত অফিস করার কথাও বলা হয়েছে। 

এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে পুলিশের পোশাক পরিহিত ছবি তৈরি করে মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জিম্মি করে অর্থ আদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

পাবনায় তার শ্যালকের রয়েছে একটা জুসের দোকান, যেটা অর্থের যোগান দাতা ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম। 

তবে ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি কিডনি রোগে আক্রান্ত। আমি সৎভাবে জীবনযাপন করি। কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। অফিসের কাজে কোনো ফাঁকি দিই না, বরং মাঝে মাঝে রাত ১১টা পর্যন্ত কাজ করি। 

নুরুল ইসলাম জানান, ২০০৬ সালে কাকনহাট পৌরসভায় যোগদানের পর ২০১১ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রহনপুর পৌরসভায় কর্মরত ছিলেন। ২০১৭ সালের শেষ দিক থেকে তিনি বড়াইগ্রাম পৌরসভায় কর্মরত আছেন। 

তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি নাটোরের বাঘাদিপাড়া বাজারের পাশে সেখানে কি বাড়ি আছে আপনারা সেটা দেখে আসতে পারেন। আমার শশুরবাড়ি পাবনায় একটা টিন সেট বাড়ি আছে।

এরপর ইঞ্জিনিয়ার নুরুল ইসলাম এসএমএস এর মাধ্যমে জানান, উপরের ছবিটা ১৫ আগস্টের। তখন কার সময়ের। অন্যভাবে নিয়েন না। আমি সাধারণ জীবন যাবন করি। আমার সম্ভন্ধে আপনাকে কেউ ভুল ও মিথ্যে তথ্য দিয়েছে। আমার পরিবার ও বাবা মা শ্বশুর শ্বাশুড়ি তারাও সাধারণ। নুন আনতে পানতা ফুরোনোর মত। আপনি ভালোভাবে খোঁজ খবর নিলে সব সত্য জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।আজ ২০ বছর সততার সহিত চাকুরী করে আসছি।কোনদিন কেউ খারাপ বলেনি।

(এরপর আমাদের অনুসন্ধানে উঠে আসবে দূর্নীতির ২য় পর্ব)

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL