উয়েফা নেশন্স লিগে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে ফ্রান্স। এক গোলে পিছিয়ে থাকা স্বাগতিকরা ম্যাচের শেষ ১৩ মিনিটে চারবার বেলজিয়ামের জালে বল পাঠিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে কোচ হিসেবে জিনেদিন জিদানের অপরাজিত যাত্রাও অব্যাহত থাকল।
ঘরের মাঠে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছিল ফ্রান্স। তবে প্রথম গোলের দেখা পায় বেলজিয়াম। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে রোমেও লাভিয়ার প্রায় ৬০ গজ দূর থেকে বাড়ানো থ্রু বল ধরে ফরাসি গোলরক্ষক হিসেবে অভিষিক্ত গিয়োম রেস্তেকে পরাস্ত করেন দোদি লুকেবাকিও। ফলে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকে বেলজিয়াম।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধে মরিয়া হয়ে ওঠে ফ্রান্স। একের পর এক আক্রমণ চালালেও কাঙ্ক্ষিত গোল পাচ্ছিল না স্বাগতিকরা। অবশেষে ৭৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দেজিরে দুয়ের নিচু শটে সমতায় ফেরে ফ্রান্স। এর মাত্র চার মিনিট পরই ম্যাচে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। মাইকেল ওলিসের কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে বদলি হিসেবে মাঠে নামা রায়ান শেরকি ফ্রান্সকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এরপর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ফ্রান্স। ৮৭ মিনিটে মাইকেল ওলিসে নিজের প্রথম গোল করেন। যোগ করা সময়ে আবারও জালের দেখা পান তিনি। দুই গোলেই সহায়তা করেন দেজিরে দুয়ে। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৩ মিনিটের মধ্যে চার গোল করে ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ফ্রান্স। জাতীয় দলের জার্সিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওলিসে ২০২৬ সালে ফ্রান্সের হয়ে ১৬ ম্যাচে ১৭ গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন।
এই জয়ে চার ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ এ১-এর শীর্ষে রয়েছে ফ্রান্স। অন্যদিকে বেলজিয়াম ছয় পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে। গ্রুপের আরেক ম্যাচে তুরস্ককে ৩-১ গোলে হারিয়েছে ইতালি। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ইতালিরা। দলের হয়ে গোল করেছেন জিয়ানলুকা স্কামাক্কা, রিকার্দো কালাফিওরি ও পিও এসপোসিতো। তুরস্কের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন আরাল সিমসির।