সংবাদ শিরোনামঃ

দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক :
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস ছবি: সংগৃহীত

উজানের ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টিতে দেশের উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আবারও বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। একাধিক নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, তিস্তা নদীর ডালিয়া, কাউনিয়া, তারাপুর ও হরিপুর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিয়েছে। এদিকে সিলেট অঞ্চলেও কুশিয়ারা নদীর পানি মারকুলি ও ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও পরিস্থিতি আপাতত স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সাম্প্রতিক বন্যায় চট্টগ্রামের তিনটি উপজেলায় প্রায় ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় আট লাখ মানুষ নিরাপদ খাবার পানির সংকটে ভুগছেন।

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। নদী তীরবর্তী ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বিষয়:

পূর্বাভাস
এলাকার খবর

সম্পর্কিত