মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি। তবে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন ও সমালোচনা। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরিপ্রার্থী ও অনলাইনভিত্তিক চাকরির প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকেরা সিদ্ধান্তটির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তাদের আশঙ্কা, মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির সুযোগ বাড়তে পারে। অনলাইন শিক্ষক মো. রিয়াদ বলেন, ভাইভায় নম্বর বেশি থাকলে ঘুষ লেনদেনের সুযোগ বাড়তে পারে। এতে লিখিত পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়া মেধাবী প্রার্থীকেও ভাইভায় কম নম্বর দিয়ে বঞ্চিত করার সুযোগ তৈরি হবে। এদিকে চাকরিপ্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত আরও অনেকে ভাইভায় ৫০ নম্বরের পরিবর্তে লিখিত পরীক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে ভাইভা পুরোপুরি অযৌক্তিক নয় বলে মনে করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব। তাঁর মতে, ভাইভায় নির্দিষ্ট ও স্বচ্ছ মার্কিং পদ্ধতি থাকলে এটি কার্যকর হতে পারে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট...