সংবাদ শিরোনামঃ

ক্রীড়া ও কারিগরি শিক্ষায় বাংলাদেশের পাশে অস্ট্রেলিয়া

নিজস্ব প্রতিনিধি:
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ক্রীড়া ও কারিগরি শিক্ষায় বাংলাদেশের পাশে অস্ট্রেলিয়া ছবি: সংগৃহীত
ক্রীড়া ও কারিগরি শিক্ষায় বাংলাদেশের পাশে অস্ট্রেলিয়া ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্রীড়া শিক্ষা, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। পাশাপাশি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যোগাযোগ, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান টাইলসহ দেশটির প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে শিক্ষা খাতে দুই দেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংযোগ এবং শিল্প-একাডেমিয়া অংশীদারিত্ব জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি এবং আনন্দময় শিক্ষার পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।

এ সময় বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন ও মানবসম্পদ বিকাশে যৌথ উদ্যোগের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান। একই সঙ্গে ক্রীড়া শিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক চলাচল, শ্রমবাজার, শ্রমিক চলাচল এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করে, শিক্ষা, গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা অংশীদারিত্ব জোরদারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও গভীর হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত