বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে পাচার হওয়া সম্পদ শনাক্ত ও উদ্ধারে আইনি এবং কূটনৈতিক—দুই পথেই এগিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে। সম্পদ চিহ্নিত ও উদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে একটি অংশীদারি স্থাপন করা হয়েছে।
এ ছাড়া সম্পদ পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে আইনি ও ফরেনসিক দক্ষতাসম্পন্ন অন্যান্য দেশের সঙ্গেও সরকার যোগাযোগ রাখছে বলে জানান তিনি। হুমায়ুন কবির বলেন, যেসব দেশের আইনি ও ফরেনসিক দক্ষতা রয়েছে তাদের সঙ্গে বাংলাদেশ আলোচনা করছে। পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নেওয়া হবে।
সরকার শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে আইনি প্রক্রিয়াও কাজে লাগাবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষ্য, পাচার হওয়া অর্থ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি এবং কূটনৈতিক উভয় পথই ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ জনগণের সম্পদ। এসব সম্পদ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের চুরি যাওয়া অর্থ ও সম্পদ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের অবস্থান শনাক্ত করা এবং তা দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।