আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে ৬৪.৬৫ ও ৬৬ নং ওয়ার্ড থেকে শারমিন আক্তার রিতা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জোর আলোচনায় রয়েছেন। এছাড়াও সাম্প্রতিক সময়ে তাকে মাতুয়াইল হাজী আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সুযোগে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন।
আসন্ন নির্বাচনে তার প্রচার প্রচারণা ব্যাহত করতে নিবন্ধন বিহীন কিছু অনলাইন পোর্টালে অপপ্রচার চালাচ্ছে।যা নারীর প্রতি সহিংসতা হিসেবে অবহিত করেছেন অনেকেই। শারমিন আক্তার রিতা একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের উচ্চ শিক্ষিতা নারী। তিনি পেশায় একজন ব্যাংকার। আইসিটি খাতে তার ব্যাপক দক্ষতা রয়েছে। এছাড়াও তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন। তার পিতা শফিক মাস্টার ছিলেন একজন আদর্শবান স্কুল শিক্ষক। কখনোই তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন না।
সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে তিনি বিভিন্ন সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করেছেন। আগামী দিনে তার রাজনৈতিক পথ চলায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে স্বার্থন্বেষী মহলের এ ধরনের অপপ্রচার ভোটারদের কাছে কোন প্রভাব পড়বে না। শারমিন আক্তার রিতা অত্যন্ত বিনয়ী, সহজ সরল শান্ত স্বভাবের এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ পাস করা উচ্চশিক্ষিতা একজন নারী। তার মত নেতৃত্বের গুণাবলী সম্পন্ন নারী সংগঠক ইতোপূর্বে এই এলাকায় কখনো মাঠ পর্যায়ে কাজ করেনি। তার রাজনৈতিক অবস্থান আগামী দিনের উন্নয়নে এলাকাবাসীর জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হয়ে উঠতে পারে। বিগত স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর ঘোলা পানিতে বহু মাছ শিকার হয়েছে। অনেক নির্দোষ ব্যক্তিকে জুলাইয়ের আন্দোলনে ছাত্র হত্যার আসামি বানানো হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো থেকে নিরপরাধ ব্যক্তিদের অব্যাহতির জন্য পুলিশ প্রশাসন ও তদন্ত সংস্থা কাজ করছে। ঢালাওভাবে করা এসব মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় অনেককে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে এবং মিথ্যা মামলাকারীদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শারমিন আক্তার রিতা কখনোই জুলাই আন্দোলনে ছাত্র জনতার বিরুদ্ধে কোন অবস্থান গ্রহণ করেনি।
শুধুমাত্র আগামী দিনে তার কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং মাতুয়াইল হাজী আব্দুল লতিফ ভূঁইয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোনয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে একটি চক্র।তারাই সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশে প্রলুব্ধ করছে।