জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন গতি পেয়েছে। পাকিস্তান এই প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার চেষ্টা করছে। নিউইয়র্কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের একাধিক বৈঠক ও যোগাযোগের মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ জোরদার হয়েছে।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক হয়েছে। তিনি বৈঠকটিকে ভালো ও ফলপ্রসূ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং পরবর্তী বৈঠকের সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন,
- কেরাণীগঞ্জের শুভাঢ্যা সাবান ফ্যাক্টরী রাস্তার নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন
- জামায়াত কর্মীকে 'আ'লীগ' ট্যাগ দিয়ে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কেরানীগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল
- নবম বেতন স্কেলে তথ্যের অমিলে আটকে যেতে পারে পে ফিক্সেশন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শাহবাজ শরিফের প্রশংসা করে ট্রাম্প তাঁকে ‘দারুণ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিভিন্ন সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তেহরানেও পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভির সাম্প্রতিক ইরান সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হয়। পাকিস্তানের দাবি অনুযায়ী, ইরান আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইসলামাবাদের প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
এদিকে জাতিসংঘও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক পাকিস্তানের নেতৃত্বের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকটের স্থায়ী সমাধান এখনো নিশ্চিত নয়। নিউইয়র্কের বৈঠক এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক তৎপরতা আলোচনার সুযোগ তৈরি করলেও এর মাধ্যমে সংঘাতের চূড়ান্ত অবসান হবে কি না, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।