শিরোনাম

হারুনের দেওয়া ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দুদকের চাঞ্চল্যকর তথ্য

বাংলাদেশ যুগান্তর ডেস্ক বাংলাদেশ যুগান্তর ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
হারুনের দেওয়া ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দুদকের চাঞ্চল্যকর তথ্য ছবি: সংগৃহীত
হারুনের দেওয়া ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি নিয়ে দুদকের চাঞ্চল্যকর তথ্য ছবি: সংগৃহীত

ডিবির সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ ভাইয়ের নামে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। দুদকের তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য। তদন্ত অনুযায়ী ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট মিঠামইন সাবরেজিস্ট্রি অফিসে হেবা দলিলের মাধ্যমে ছোট ভাই এবিএম শাহারিয়ারের নামে ১ হাজার ৮৫০ শতাংশ জমি লিখে দেন হারুন অর রশীদ।

দুদক বলছে এই জমি ছিল হারুনের ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের অংশ। দুই ভাইয়ের সম্পদের মধ্যে সরাসরি যোগসূত্রও পাওয়া গেছে তদন্তে। এবিএম শাহারিয়ার প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট অ্যান্ড অ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দুদকের তদন্তে তার নামে ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে স্থাবর সম্পদের মূল্য ৭ কোটি ৮১ লাখ ৪৪ হাজার ৩০৭ টাকা। আর অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৯৫ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৮ টাকা। সাভার রূপগঞ্জ গুলশান ও কিশোরগঞ্জে তার জমি রয়েছে। পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানে তার বিনিয়োগ রয়েছে ৬ কোটি ১৬ লাখ ৩৫৭ টাকা।

তদন্তে আরও বলা হয়েছে ২০১৯-২০ থেকে ২০২৩-২৪ করবর্ষ পর্যন্ত শাহারিয়ারের মোট আয় ছিল ৬৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩০৪ টাকা। ব্যয় হয়েছে ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ১৭৪ টাকা। অর্থাৎ বৈধ উৎসে সম্পদ অর্জনের সুযোগ ছিল ৪৮ লাখ ৯০ হাজার ১৩০ টাকা। কিন্তু তার নামে পাওয়া সম্পদের মূল্য ১৮ কোটি ৭৬ লাখ ৯৭ হাজার ১৮৫ টাকা। ফলে ১৮ কোটি ২৮ লাখ ৭ হাজার ৫৫ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ হিসেবে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগ দুই ভাই পরস্পর যোগসাজশে সম্পদের প্রকৃত উৎস গোপন করতে সম্পদ হস্তান্তর স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন। এ ঘটনায় হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ও দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। আর শাহারিয়ারের বিরুদ্ধে এসব ধারার পাশাপাশি দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বিষয়:

ডিবি
এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL