বিশিষ্ট কবি,সাংবাদিক,সমাজসেবক ও মানবাধিকারকর্মী এবং দৈনিক বাংলাদেশ যুগান্তর পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক ও ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা মুহম্মদ মাসুম বিল্লাহ্-এর রত্নগর্ভা মাতা মিসেস জাহানারা সাত্তার আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার ভোর ৫টায় রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।
দৈনিক বাংলাদেশ যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক মোঃ মোশাররফ হোসাইন রাজু এক শোকবার্তায় মরহুমার ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। এবং আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন যেন আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর সকল গুনাহ মাফ করে তাঁকে জান্নাতের উঁচু ঢাকাম দান করেন।
রাজধানীর উত্তরা ০৭ নম্বর সেক্টর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ১০টায় মরহুমার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন মরহুমার জ্যেষ্ঠ পুত্র, ভিন্নমাত্রা প্রকাশনীর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী সম্পাদক মুহম্মদ মাসুম বিল্লাহ্। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও স্বজনেরা অংশ নেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমার মরদেহ তাঁর নিজ জেলা পিরোজপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেখানে আছরবাদ দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
মরহুমা জাহানারা সাত্তার ছিলেন পরম দয়ালু, পরোপকারী ও পরহেজগার একজন মহীয়সী নারী। তিনি সারাজীবন ইসলামিক সাহিত্য পাঠ ও ধর্মীয় জ্ঞান আহরণে গভীরভাবে নিমগ্ন ছিলেন। সুসন্তান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৫ সালে ‘রত্নগর্ভা মা’ সম্মাননায় ভূষিত হন।
উত্তরা প্রেসক্লাবের সম্মানিত সিনিয়র সদস্য ও দৈনিক ভিন্ন মাত্রা পত্রিকার সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ-এর মাতার ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন উত্তরা প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মানিক খান এবং সাধারণ সম্পাদক মাহতাব ফারাহী।
এক যৌথ শোকবার্তায় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জানান।
প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, “মাতার মৃত্যু একজন সন্তানের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অপূরণীয় ক্ষতি। মরহুমার মৃত্যুতে আমরা একজন সহকর্মীর মমতাময়ী মাকে হারানোর শোকও অনুভব করছি।“ নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন পরম করুণাময় তাঁর সকল ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন এবং পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার তৌফিক দেন।
মরহুমার আদর্শ ও পথনির্দেশনা সবার হৃদয়ে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে।