সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আরেকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যক্তিগত মুহূর্তের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর এবার প্রকাশিত নতুন ভিডিওটি নিয়েও চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। মঙ্গলবার সকালে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি গাজী নজরুল ইসলামকে প্রশ্ন করছেন, তিনি ওই তরুণীকে কতদিন আগে এনেছেন। জবাবে গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি ওই তরুণীকে মাত্র একবারই সেখানে এনেছিলেন। ভিডিওতে তাকে জামায়াতের নেতা হয়েও মেয়ে নিয়ে এসে অন্যায় করেছেন বলেও বলতে শোনা যায়।
ভিডিওতে উপস্থিত তরুণীর নাম জানতে চাইলে তিনি প্রথমে পরিচয় দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বারবার অনুরোধের পর নিজের নাম ‘মারিয়া’ বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ভিডিওটি মুছে ফেলার অনুরোধ জানান। তবে বাসার ঠিকানা জানতে চাওয়া হলেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। এর আগে সোমবার রাতে গাজী নজরুল ইসলামের একটি ব্যক্তিগত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত দাবি করে, ভিডিওতে থাকা তরুণী তার বৈধ দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে গাজী নজরুল ইসলামও ফেসবুকে একই দাবি করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, রাজধানীর মগবাজারে তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবার অফিসে তাকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করা হয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের ব্যক্তিগত ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে দ্বিতীয়বারের মতো সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন গাজী নজরুল ইসলাম। তিনি সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির এবং দলের কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য।