দৈনিক আলোর বার্তা ও The Daily State পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য অধ্যাপক রফিক উল্লাহ শিকদার আর আমাদের মাঝে নেই। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
গত রবিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৫টায় রাজধানীর কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে অধ্যাপক রফিক উল্লাহ শিকদার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি স্ট্রোক করেন। পরবর্তীতে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে কাকরাইল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে স্থানান্তর করে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় রবিবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মরহুমের প্রথম জানাজা রবিবার রাত ৯টায় বাংলামটর বড় মসজিদের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে মরহুমের মরদেহ সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।
অধ্যাপক রফিক উল্লাহ সিকদারের প্রয়ানে ঢাকা প্রেস ক্লাব সহ সাংবাদিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। তাঁর মৃত্যু সংবাদে সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিক সমাজের অনেকেই গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র প্রকাশনার ক্ষেত্রে তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। রফিক উল্লাহ শিকদার 'আলো' নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন।এই গুণী মানুষটি তাঁর কর্ম ও অবদানের মধ্য দিয়ে গনমাধ্যম অঙ্গনে গড়ে তুলেছিলেন নিজস্ব এক পরিচিতি ও শ্রদ্ধার আসন। তাঁর মৃত্যু সংবাদপত্র ও সাংবাদিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর কর্মময় জীবন এবং সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে রাখা অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে এক শোক বার্তায় দৈনিক বাংলাদেশ যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক ও Justice Aid Human Rights Foundation এর মহাসচিব মোঃ মোশাররফ হোসাইন রাজু ও ঢাকা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন বাচ্চু গভীর শোক প্রকাশ করেন। মোসলেহ উদ্দিন বাচ্চু বলেন, "আজ আমি আমার সাংবাদিকতা জীবনের পথপ্রদর্শক ও এক শ্রদ্ধেয় অভিভাবককে হারালাম। মহান আল্লাহর দরবারে আমরা দোয়া করি মহান আল্লাহ তা’আলা যেন তাঁর জীবনের জানা-অজানা সকল ভুলত্রুটি ক্ষমা করে দেন এবং তার কবরকে নূরে পরিপূর্ণ করেন এবং তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন। এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।