শিরোনাম

সংসদে আওয়ামী লীগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-তাহেরের তীব্র বিতর্ক

জুলিয়া জাহান জুলিয়া জাহান
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সংসদে আওয়ামী লীগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-তাহেরের তীব্র বিতর্ক ছবি: সংগৃহীত
সংসদে আওয়ামী লীগ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-তাহেরের তীব্র বিতর্ক ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুযোগ থাকা না থাকা নিয়ে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের মধ্যে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেমের উত্থাপিত ১৪৭ বিধির নোটিশের ওপর বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়টি সামনে আসে।

আরও পড়ুন, 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বিরোধীদলীয় উপনেতা মন্তব্য করেছেন—আওয়ামী লীগ দল হিসেবে রাজনীতি করতে চাইলে এতে আপত্তির কিছু নেই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে ধরতেই আপত্তি জানান তাহের। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বলেন, দলের পলাতক আসামি ও দুর্বৃত্তরা এখনো গ্রামেগঞ্জে মিছিল করছে এবং ঘুরে বেড়াচ্ছে। একপর্যায়ে সংসদে উত্তেজনা তৈরি হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিষয়ের মধ্যে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধী দলের সদস্যদের আর ওয়াকআউট করতে দেখতে চান না।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন রাজনীতি করতে চাইলে এ বিষয়ে বিরোধীদলীয় উপনেতার মন্তব্য কী—তা তিনি একটি ভিডিও সাক্ষাৎকারে দেখেছেন। তবে তাঁর বক্তব্য ভুলভাবে উদ্ধৃত হলে তা সংশোধনের সুযোগও দেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ফ্যাসিজম ও আওয়ামী লীগের প্রশ্নে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সরকারি ও বিরোধী দলসহ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এরপর স্পিকারের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁর সাক্ষাৎকারের পুরো বক্তব্য সংসদে তুলে ধরা হয়নি।

আরও পড়ুন, 

তাহের বলেন, তিনি কোনো দলের রাজনীতি করার নীতিগত অধিকার নিয়ে আপত্তি করেন না। তবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যেসব অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, সেসবের যথাযথ বিচার আগে হতে হবে। বিচার শেষে যারা থাকবে, তাদের নিয়ে বিষয়টি ভিন্নভাবে আলোচনা করা যেতে পারে। সবশেষে তাহের বলেন, আওয়ামী লীগের অপরাধীদের বিচার হলে ‘আওয়ামী লীগ’ নামে আর কোনো দল থাকবে না। সংসদে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও বিচার ইস্যুতে দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL